ইরানে নৌ-অবরোধের পথে ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক

ইসলামাবাদে গত ২১ ঘণ্টার ম্যারাথন শান্তি আলোচনা কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ রোববার (১২ এপ্রিল ২০২৬) সকালে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ নিবন্ধ শেয়ার করেছেন, যেখানে ইরানের ওপর ‘নৌ-অবরোধ’ (Naval Blockade) আরোপের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি ইরানের ওপর চূড়ান্ত অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হতে পারে।

আলোচনার ব্যর্থতা ও পরবর্তী পদক্ষেপ: ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ইরানের সাথে পরমাণু কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালী নিয়ে সমঝোতা করতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘সর্বশেষ ও সেরা’ প্রস্তাবটি দিয়েছিল, কিন্তু তেহরান তা গ্রহণ করেনি। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্পের এই পোস্টটি সামনে আসে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেনিজুয়েলার মতো এবার ইরানকেও বিশ্ববাজার থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেন ট্রাম্প।

বিশ্ব বাজারে প্রভাব: এই খবরের পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। যদি সত্যিই কোনো নৌ-অবরোধ কার্যকর হয়, তবে চীন ও ভারতের মতো দেশগুলো যারা ইরানের তেল কেনে, তাদের সাথেও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হতে পারে। বর্তমানে পারস্য উপসাগরে ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’ ও ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’-এর মতো শক্তিশালী রণতরী মোতায়েন থাকায় যেকোনো সময় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।