অনলাইন ডেস্ক:
উত্তরা থেকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এর উপপরিচালকের কার্যালয় (এস্টেট ও ভূমি-২) রাজউকের প্রধান কার্যালয়ে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২ ফেব্রুয়ারি রিট আবেদন দাখিল করেন মো. মনির হোসেন, যিনি উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা। রিট আবেদনটি বিচারাধীন হলে হাইকোর্টের বিচারপতি ফাতেমা নজীব এবং বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী পৃথকভাবে রুলসহ এই আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ওমর ফারুক, এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন, মো. আব্দুল ওয়াহাব ও নূর মুহাম্মদ আজমী।
আইনজীবী ওমর ফারুক কালের কণ্ঠকে বলেন, “উত্তরার আঞ্চলিক কার্যালয় স্থানান্তরের আদেশটি ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ফলে আপাতত কার্যালয়টি স্থানান্তর করা যাবে না।”
রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) এ. বি. এম. এহছানুল মামুনের স্বাক্ষরে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দেওয়া অফিস আদেশে জানানো হয়, ১৯ ডিসেম্বর অফিস একোমোডেশন কমিটির সভায় উত্তরা থেকে উপপরিচালকের কার্যালয় রাজউকের প্রধান কার্যালয়ে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর জন্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে, রাজউকের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উত্তরা এলাকার স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানান। তারা রাজউক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন জানান এবং পরে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে আন্দোলনে নামেন। প্রতিবাদ ও সাড়া না পেয়ে, উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দা মো. মনির হোসেন আদালতের আশ্রয় নেন।
হাইকোর্ট রুলে জানতে চেয়েছেন, কেন এই স্থানান্তরের অফিস আদেশটি আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং কেন এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে গণশুনানি আয়োজন করতে নির্দেশ দেওয়া হবে না। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, রাজউক চেয়ারম্যান এবং রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) এ. বি. এম. এহছানুল মামুনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।











