নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দুই মাসের মধ্যেই ফারুক আহমেদ বিসিবির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর ঘোষণা দেন এবং এটি কার্যকরও করেছেন। গত ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত ১৫তম বোর্ড সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।
বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজন এই বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, তিনি জানান, এটি একটি আভ্যন্তরীণ বিষয় হওয়ায় বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি।
বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। দীর্ঘসময় ধরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিসিবি কর্তৃপক্ষ বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে। যারা ২৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে বিসিবিতে কাজ করছেন, তাদের বেতন সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০ বছর বা তার বেশি সময় চাকরি করা কর্মকর্তারা পেয়েছেন ২৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি। আর যারা এই দুটি ক্যাটাগরির মধ্যে পড়েননি, তাদের বেতন বেড়েছে ৫ শতাংশ।
বিসিবির পে-স্কেল ২০১৩ সালে সর্বশেষ সংশোধন করা হয়েছিল, কিন্তু এখন পে-স্কেল পুনঃবিন্যাসের কাজ শুরু হয়েছে। বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন পে-স্কেল তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। এটি পরবর্তী বোর্ড সভায় চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করা হবে।
বিসিবির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অনেক বছর ধরে কিছু কর্মকর্তা বঞ্চিত ছিলেন। নতুন প্রেসিডেন্ট মহোদয় বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এবং বৈষম্য দূর হয়েছে। বিসিবির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, গাড়িচালক ও এমএলএসএস কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে জীবনযাত্রা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে, আর সেই বিষয়টি মাথায় রেখে বেতন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয়েছিল। বিসিবির কর্মীরা খুশি হলেও তারা বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চাননি।
এখন, বিসিবি কর্তৃপক্ষ পে-স্কেল সংশোধন করে নতুন করে সেটি তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে, যা পরবর্তী বোর্ড সভায় চূড়ান্তভাবে গ্রহণ করা হবে।











