Saturday, October 3, 2026
27 C
Dhaka
Saturday, October 3, 2026

বালিতে ভূমিধসে পাঁচ নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের উবুং কাজা গ্রামে ভূমিধসে অন্তত পাঁচ নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ জানুয়ারি) দেশটির কর্মকর্তারা স্থানীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডেনপাসার প্রাদেশিক রাজধানী থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত গ্রামটির একটি আবাসনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আরও তিনজন শ্রমিক দুর্ঘটনার কবলে পড়েও প্রাণে বেঁচে গেছেন এবং বর্তমানে তারা নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বালির তল্লাশি ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান নিয়োমান সিদাকারিয়া জানান, উদ্ধারকারীরা এক্সক্যাভেটর ব্যবহার করে হতাহতদের উদ্ধার করছেন এবং লাশ শনাক্তের জন্য নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভূমিধসের কারণ এখনও পরিষ্কার নয়, তবে রবিবার এই অঞ্চলে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছিল। বর্ষাকালে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ইন্দোনেশিয়া এই সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে প্রায়ই আক্রান্ত হয়ে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক:

প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরই জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার অধিকার বাতিল করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২০ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় এ সম্পর্কিত একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, অবৈধভাবে বা শিক্ষা-পর্যটনসহ সাময়িক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে এসে যে কেউ সন্তান জন্ম দিলে, সে শিশুর নাগরিকত্ব স্বীকৃতি পাবে না। তবে, যদি বাবা-মায়ের কেউ আমেরিকান নাগরিক হন, তবে শিশুটি জন্মের পরই মার্কিন নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত হবে।

ট্রাম্প নির্বাহী আদেশে সই করার সময় স্বীকার করেছেন যে, জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে নিশ্চিত করা আছে এবং তার এই সিদ্ধান্ত আইনগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। তবে তিনি জানান, জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিধানটি হাস্যকর এবং তার বিশ্বাস, এটি পরিবর্তনের জন্য শক্তিশালী আইনগত যুক্তি রয়েছে।

এদিন, ট্রাম্প সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ৭৮টি নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন। এছাড়া, ক্যাপিটল হিলে দাঙ্গায় জড়িতদের ক্ষমা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে আসা, পশ্চিম সীমান্তে জরুরি অবস্থা জারি করার মতো একাধিক নির্বাহী আদেশে সই করেছেন তিনি।

ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিনেই ক্যাপিটল দাঙ্গার অভিযুক্তদের ক্ষমা করল ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক:

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল ভবনে দাঙ্গায় অভিযুক্ত দেড় হাজারের বেশি ব্যক্তিকে ক্ষমা বা দায়মুক্তি দিয়েছেন। ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল ভবনে দাঙ্গায় জড়িত এই ব্যক্তিরা রাষ্ট্রদ্রোহী ষড়যন্ত্র এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের ওপর আক্রমণের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।

এই পদক্ষেপটি ক্যাপিটলে হামলার পর শুরু হওয়া বিচারিক কার্যক্রমকে কার্যকরভাবে উল্টে দিয়েছে এবং কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশন ও শতাধিক পুলিশ কর্মকর্তাকে আহত করার বিচারকেও বাধাগ্রস্ত করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সিদ্ধান্তের মধ্যে ক্যাপিটল দাঙ্গার সাথে সম্পর্কিত প্রায় ৪৫০টি বিচারাধীন মামলা খারিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

ট্রাম্প এই ক্ষমাকে ‘জাতীয় পুনর্মিলন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং অভিযুক্তদের ‘দেশপ্রেমিক’ এবং অন্যায় বিচার বিভাগের শিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার এই সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থকরা উদযাপন করলেও, ডেমোক্র্যাটিক নেতা এবং আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা এটিকে ন্যায়বিচার ও জননিরাপত্তার অবমাননা বলে সমালোচনা করেছেন।

এই ক্ষমার মধ্যে রাষ্ট্রদ্রোহী ষড়যন্ত্রের জন্য দোষী সাব্যস্ত ১৪ জন ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত, এবং বাকিরা নিঃশর্ত ক্ষমা পেয়েছেন। ট্রাম্পের এই ঘোষণাটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। সমর্থকরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, তবে বিরোধীরা সহিংসতার ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিস্থিতি তুলে ধরছেন, যাদের মধ্যে অনেক আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা রয়েছেন।

তাইওয়ানে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, আহত ২৭

অনলাইন ডেস্ক:

তাইওয়ানের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, সোমবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা ১৭ মিনিটে এই ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৬.৪। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল চিয়াই কাউন্টি হল থেকে ৩৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল।

ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। তাইওয়ানের সেন্ট্রাল ওয়েদার অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকারী দল ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আহতদের মধ্যে ২৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ছয়জন শিশু সহ একটি ধসে পড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার মধ্যে, তাইওয়ানের প্রাদেশিক মহাসড়ক বরাবর ঝুওয়েই সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে দমকল বিভাগ।

তাইওয়ান, যা প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত, প্রায়শই ভূমিকম্পের শিকার হয়। গত বছর এপ্রিলেও তাইওয়ানের পূর্বাঞ্চলীয় হুয়ালিয়েন অঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ১৩ জনের মৃত্যু এবং এক হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছিল।

১৫ হাজার কোটি টাকা উদ্ধারে আইনি প্রক্রিয়া শুরু

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সন্দেহজনক লেনদেন ও অর্থপাচারের মাধ্যমে জমা হওয়া প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা উদ্ধারে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছে। গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে সাবেক মন্ত্রী, এমপি, প্রভাবশালী ব্যবসায়ীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাড়ে ৩৫০টিরও বেশি অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টের মধ্যে বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও রয়েছেন, এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত বিভাগ এবং বিএফআইইউর নির্দেশে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিএফআইইউ সূত্র জানায়, অর্থপাচার রোধ ও পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বিএফআইইউর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গ্রুপের বিরুদ্ধে পাচারের তথ্য প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তবে তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া হবে না।” এই কর্মকর্তা আরও জানান, সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে দেশে ব্যবসায়ের মালিকানা পরিবর্তিত হতে পারে এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে।

বিএফআইইউর সাবেক প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেন, “বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার একটি জটিল প্রক্রিয়া, তবে সরকার-টু-সরকার চুক্তি এই প্রক্রিয়া সহজ করতে পারে।” তিনি উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের বিধিবিধান সম্পদ পুনরুদ্ধারে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, তবে বাংলাদেশ যদি আন্তর্জাতিক আদালতে প্রমাণিত করতে পারে যে ওই অর্থ অবৈধভাবে অর্জিত, তবে তা উদ্ধার করা কিছুটা সহজ হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মুস্তফা কে মুজেরি আন্তর্জাতিক আর্থিক আইনের জটিলতা নিরসনে একটি শক্তিশালী আইনি দলের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, “বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত পেতে সরকারের দৃঢ় সংকল্প ও ধৈর্যের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী আইনি লড়াইয়ের দল দরকার।” তিনি আরও বলেন, “অর্থ পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে এ প্রথা অব্যাহত থাকবে।”

সূত্র জানায়, স্থগিত করা অ্যাকাউন্টগুলোর বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত মালিকদের মালিকানায় থাকবে। মুজেরি পরামর্শ দেন, বাজেয়াপ্ত তহবিলগুলো অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ডে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। বর্তমানে বিএফআইইউ সিআইডি, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং কর গোয়েন্দাদের সঙ্গে যৌথভাবে প্রমাণ সংগ্রহ ও আইনি মামলা পরিচালনার কাজ করছে। সরকারের এই পদক্ষেপ অর্থপাচার রোধ এবং চুরি হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে এয়ার পিউরিফায়ারের আমদানিতে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশে বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে সরকার এয়ার পিউরিফায়ারের আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ও কর হ্রাস এবং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (২০ জানুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বর্তমানে ঢাকা ও বাংলাদেশের অন্যান্য শহর বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে, যার কারণে এর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় এয়ার পিউরিফায়ারের সহজলভ্যতা অত্যন্ত জরুরি। সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এয়ার পিউরিফায়ারের আমদানিতে বিদ্যমান কাস্টমস শুল্ক (সিডি) ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ৩ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক (আরডি) এবং ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি) প্রদান থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এই পরিবর্তনের ফলে, এয়ার পিউরিফায়ারের আমদানিতে মোট করভার ৫৮ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে কমে সাড়ে ৩১ শতাংশে নেমে এসেছে। এর ফলে, প্রতিটি এয়ার পিউরিফায়ারের আমদানি খরচ প্রকারভেদে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত কমবে।

এয়ার পিউরিফায়ারের আমদানি ব্যয় কমানোর ফলে এটি জনগণের জন্য কম দামে সহজলভ্য হবে, যা বায়ুদূষণের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে সহায়ক হবে।

অভিবাসন নীতিতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার তার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি এবং আশ্রয়দান সংক্রান্ত নতুন কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানায়, ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে সেনা পাঠানো হবে এবং তিনি জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল করার পদক্ষেপ নেবেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দক্ষিণ সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন এবং এক সংবাদ সম্মেলনে আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তির মার্কিন নাগরিকত্বের অধিকার বাতিল করার বিতর্কিত আদেশ ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “এটি একটি বড় বিষয়,” তবে এ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ আসার সম্ভাবনাও তিনি স্বীকার করেন।

ট্রাম্প আরও জানান, “আইনি অভিবাসন আমার পছন্দ। আমাদের লোক দরকার এবং আমি এতে একেবারেই রাজি। তবে, আমাদের আইনি অভিবাসন থাকতে হবে,” বলেন তিনি।

এদিকে, ট্রাম্পের প্রথম কার্যক্রমের মধ্যে একটি ছিল আশ্রয়প্রার্থীদের অভিবাসন প্রক্রিয়া সাহায্য করার জন্য চালু করা একটি অ্যাপ বন্ধ করা, যা ইতিমধ্যে ৩০ হাজার মানুষের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করেছিল। এই অ্যাপটি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন চলাকালীন চালু হয়েছিল।

ট্রাম্পের প্রধান উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা দেন যে, “যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য আগ্রহী সকল অবৈধ অভিবাসীদের এখনই ফিরে যাওয়া উচিত। অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী যে কেউ বিচার এবং বহিষ্কারের মুখোমুখি হবেন।”

মার্কিন-মেক্সিকান সীমান্তে বর্তমানে হতাশা এবং অস্থিরতা চলছে। কিউবা থেকে আসা ২৭ বছর বয়সী ইয়াইমে পেরেজ বলেন, “যেহেতু আমরা এখানে আছি, দয়া করে আমাদের প্রবেশ করতে দিন, যাতে আমরা আমাদের জীবনে উন্নতি করতে পারি।”

এভাবে, ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন অভিবাসন নীতির আওতায় মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে নানা কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে।

বর্ষীয়ান ইসলামী স্কলার আল্লামা ইসহাক আল মাদানী ইন্তেকাল করেছেন

জেলা প্রতিনিধি :

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী স্কলার, বর্ষীয়ান আলেমে দ্বীন এবং সিলেটের কৃতি সন্তান শাইখুল হাদিস আল্লামা ইসহাক আল মাদানী আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি সোমবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। এর আগে, রোববার শ্বাসকষ্টজনিত কারণে তাকে ওই হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৭৪ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ৪ মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুমের জানাযার নামাজ সোমবার (২০ জানুয়ারি) পৌণে ৫টায় সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উম্মাহর এক বরেণ্য আলেমকে শেষ বারের মতো দেখতে তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

আল্লামা ইসহাক আল মাদানী উপমহাদেশের প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ ও দ্বীনের দায়ী ছিলেন। তিনি হাজারো আলীমের উস্তাদ, ইলমে নববীর জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং উম্মাহর এক অমূল্য সম্পদ ছিলেন। তিনি সৌদি আরবের ঐতিহ্যবাহী দারুল ইফতা প্রতিষ্ঠানে সাবেক মুবাল্লিগ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শিক্ষা জীবনে মেধাবী ছাত্র হিসেবে তিনি মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রী লাভ করেন। দীর্ঘকাল তিনি শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসায় শায়খুল হাদিস হিসেবে দ্বীনের খেদমত করেছেন।

ডব্লিউইএফ বার্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে আজ রাতে চার দিনের সরকারি সফরে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট রাত ১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

প্রধান উপদেষ্টা শীঘ্রই জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজ, ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাব, বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ এবং থাই প্রধানমন্ত্রী পায়েংটার্ন শিনাওয়াত্রার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন।

এছাড়া, তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের কন্যা শেখা লতিফা বিনতে মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন লাগার্ড, মেটাতে গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্সের প্রেসিডেন্ট স্যার নিক ক্লেগ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনের সেক্রেটারি জেনারেল ডঃ অ্যাগনেস ক্যালামার্ড এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মহাপরিচালক ডঃ এনগোজি ওকোনজো-আইওয়ালার সঙ্গে বৈঠক করবেন।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বাংলাদেশ নিয়ে একটি পৃথক সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বৈশ্বিক ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান নির্বাহীরা অংশ নেবেন।

অধ্যাপক ইউনূস আগামী ২৫ জানুয়ারি দেশে ফিরবেন।

লক্ষ্মীপুরে ট্রাকচাপায় দুই জন নিহত, পুলিশের ওপর হামলা

অনলাইন ডেস্ক:

লক্ষ্মীপুর, ২০ জানুয়ারি: লক্ষ্মীপুরে একটি দ্রুতগামী ডাম্পট্রাকের চাপায় দুই জন নিহত হয়েছেন এবং এ ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা করা হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের রক্ষা করতে গিয়ে একজন সদস্য আহত হন। এ ছাড়াও, দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরাপারসনও হামলার শিকার হন।

পুলিশ জানায়, সোমবার দুপুরে মজু চৌধুরী হাট থেকে ভোলা-বরিশাল সড়কের কালিরচর রাস্তার মাথায় একটি ডাম্পট্রাক একটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে নিহত হন অটোরিকশার যাত্রী মুরাদ হোসেন। গুরুতর আহত অবস্থায় অন্য যাত্রী আজাদ হোসেনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা ডাম্পট্রাক ভাঙচুর করে এবং গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে। পুলিশের ওপর আক্রমণ হলে এসআই নুরুল ইসলাম আহত হন। পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্থানীয় সাংবাদিকদের ওপরও হামলা চালানো হয়।

দুটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ক্যামেরাপারসন সুমন ও আকাশ হামলায় আহত হন। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।

 

 

সর্বশেষ খবর

বালির দুর্ঘটনায় গুরুতর চোট, মেরুদণ্ডে আঘাত নিয়ে মুম্বাইয়ে অস্ত্রোপচারে নুসরাত!

0
অনলাইন ডেস্ক: বালিতে দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ডে চোট পেয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নুসরাত ভারুচা। চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে ইন্দোনেশিয়ার বালি থেকে মুম্বাই নেওয়া হবে। সেখানে তার মেরুদণ্ডে অস্ত্রোপচার...