Wednesday, September 30, 2026
32 C
Dhaka
Wednesday, September 30, 2026

ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের সরকারের নেয়া শতাধিক পণ্যের ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘হঠকারী’ বলে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। দলটি বলছে, এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের জন্য ব্যাপক ভোগান্তির কারণ হবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, এতে সাধারণ মানুষের ওপর কোনো বড় প্রভাব পড়বে না এবং প্রভাবটি হবে ‘ন্যূনতম’।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানের অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার যে ভ্যাট ও পরোক্ষ কর বাড়িয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।” তিনি দেশের চলমান অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং মুদ্রাস্ফীতির কথা উল্লেখ করে বলেন, “সরকার শতাধিক পণ্যের ওপর ভ্যাট এবং শুল্ক বাড়িয়েছে এবং কিছু কিছু পণ্যের ওপর থেকে কর অব্যাহতি প্রত্যাহার করে নিয়েছে, যার মধ্যে খাদ্য, পোশাক, ওষুধ এবং মোবাইল ইন্টারনেট সেবার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যও রয়েছে।”

এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং বিশেষ করে গরিব ও মধ্যবিত্তরা আরও বেশি দুর্ভোগে পড়বে, বলে তিনি জানান। ফখরুল সরকারকে এসব ভোগান্তি কমাতে বিকল্প পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানান এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক বাড়ানোর পরিবর্তে অপ্রয়োজনীয় উন্নয়ন খরচ কমানোর পরামর্শ দেন।

এদিকে, সরকার ভ্যাট ও শুল্ক বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ওপর তেমন কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে দাবি করেছে। ১২ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম বলেন, “এই প্রভাব হবে খুবই ন্যূনতম এবং এটি দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা অর্জনে সহায়ক হবে।”

ভ্যাট বাড়ানো অযৌক্তিক, প্রত্যক্ষ করের দিকে মনোযোগ দিতে হবে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা নিয়ে শ্বেতপত্র প্রণয়নকারী কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বাড়ানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘শ্বেতপত্র ও অতঃপর: অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, সংস্কার ও জাতীয় বাজেট’ শীর্ষক সিম্পোজিয়ামের সূচনা বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা বিস্মিত হয়েছি এটা দেখে যে, কীভাবে অবিবেচনাপ্রসূতভাবে মূল্য সংযোজন কর বাড়ানো হলো।”

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এর সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, “যদি কোনো সরকার কার্যকরভাবে কর আদায় করতে চায়, তাহলে তাকে ধীরে ধীরে প্রত্যক্ষ করের দিকে নজর দিতে হবে, কিন্তু আমরা এখনো প্রত্যক্ষ কর আদায়ের কোন পরিকল্পনা দেখতে পাচ্ছি না।”

এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, “কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকা ব্যক্তিরা যদি কর প্রদান করতে ব্যর্থ হন, তবে তাদের জন্য কোনো কার্যকর কৌশল প্রস্তাব করা হয়নি।” তিনি জানান, “অর্থাৎ, প্রথমে পরোক্ষ কর বাড়ানোর দিকে ঝুঁকতে গিয়ে প্রত্যক্ষ কর আদায়ে কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না, যা আমাদের উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।”

যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ২০০ রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক:

ম্যাসাচুসেটসে একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক প্রাক্তন রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে। ডা. ডেরিক টডের বিরুদ্ধে ২০১০ সাল থেকে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের অপ্রয়োজনীয় পেলভিক ফ্লোর থেরাপি, স্তন পরীক্ষা, টেস্টিকুলার পরীক্ষা এবং অন্যান্য অনুপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।

মিডলসেক্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিসের বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই নারীকে যৌন নিপীড়ন এবং দুটি ধর্ষণের ঘটনায় টড অভিযুক্ত। তবে শুক্রবার আদালতে জামিনের শুনানির সময় টড নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। আদালত টডকে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ না করা, পাসপোর্ট এবং মেডিকেল লাইসেন্স জমা দেওয়া এবং নতুন কোনো পাসপোর্ট বা লাইসেন্সের জন্য আবেদন না করার নির্দেশ দিয়েছে।

২০২২ সালের ডিসেম্বর এবং ২০২৩ সালের জুনে দুটি পৃথক হামলার ঘটনায় টডের বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। বোস্টনের আইনজীবী উইলিয়াম থম্পসন, যিনি টডের বিরুদ্ধে অভিযোগকারীদের প্রতিনিধিত্ব করছেন, বলেছেন যে এটি বিশ্বাসের গুরুতর লঙ্ঘন। তিনি দাবি করেন, টড তার রোগীদের বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তাদের প্রতি যৌন নিপীড়ন চালিয়েছেন।

ডা. টড ব্রিগহাম অ্যান্ড উইমেনস হসপিটালের একজন প্রাক্তন রিউম্যাটোলজিস্ট ছিলেন। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে হাসপাতাল তদন্ত শুরু করে এবং জুলাই মাসে তাকে বরখাস্ত করে। অভিযোগের ভিত্তিতে টড বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মেডিসিন অনুশীলন থেকে বিরত রয়েছেন।

অভিযোগকারীদের মধ্যে কিশোরী থেকে ষাটোর্ধ্ব নারীরাও রয়েছেন। তাদের আইনজীবী পলা ব্লিস বলেন, এটি তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত যারা সাহস করে এই তথাকথিত চিকিৎসকের অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে এগিয়ে এসেছেন।

টডের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাগুলো আরও বাড়তে পারে বলে আইনজীবীরা ধারণা করছেন। তার প্রাক্তন কর্মস্থলগুলোও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যালোচনা করছে। তদন্ত ও মামলাগুলো বর্তমানে চলমান।

জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে অংশীজনের মতামত নিচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণে গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত নিচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এই তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) জুলাই ঘোষণাপত্রের বিষয়ে সর্বদলীয় সংলাপ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সরকার অংশীজনদের অভিমত চিঠি মারফত গ্রহণ করছে। নাগরিকরা তাদের সুচিন্তিত মতামত উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বরাবর প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের ঠিকানায় পাঠাতে পারবেন।

আগামী ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত চিঠি মারফত মতামত গ্রহণ করা হবে। পরে এসব মতামত পর্যালোচনা করে সংশোধিত ও সর্বজনগ্রাহ্য একটি ঘোষণাপত্র প্রস্তুত করা হবে। জনগণের উপস্থিতিতে এটি দ্রুত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রেস উইং।

যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে দেশে ফিরলেন আরও ৪৭ বাংলাদেশি প্রবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবানন থেকে আরও ৪৭ প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। রাত ৯টা ১৫ মিনিটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) যৌথভাবে কাজ করেছে।

বিমানবন্দরে তাদের অভ্যর্থনা জানায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা। প্রত্যাবর্তনকারীদের প্রত্যেককে আইওএমের পক্ষ থেকে ৫ হাজার টাকা পকেটমানি, খাদ্য সামগ্রী এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রবাসীদের খোঁজখবর নেন। লেবাননে চলমান সংঘাতের মধ্যে এখন পর্যন্ত একজন বাংলাদেশি বোমা হামলায় নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, চলমান পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত ১৯টি ফ্লাইটের মাধ্যমে মোট ১,২৪৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে লেবানন থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এডিপি বাস্তবায়নে ছোট গণমুখী প্রকল্পের পরিকল্পনা

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে স্থানীয় জনগণের উপকারে আসা ছোট ও দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার করতে একনেক সভায় স্থানীয় জনগণের জন্য উপকারী প্রকল্প গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে প্রকল্প গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, “এডিপি বাস্তবায়নে গতি আনার জন্য ছোট প্রকল্প বাছাই করা হচ্ছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। তবে প্রকল্পগুলো অবশ্যই স্থানীয় জনগণের জন্য কার্যকর ও উপকারী হতে হবে।”

বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (২০২৪-২৫) জুলাই-নভেম্বর সময়ে এডিপি বাস্তবায়নের হার ছিল মাত্র ১২ দশমিক ৩ শতাংশ। গত অর্থবছরে একই সময়ে এ হার ছিল ১৭ দশমিক ১ শতাংশ।

সরকার পরিবর্তনের পর প্রকল্প পর্যালোচনায় বিলম্ব, অর্থ ছাড়ের জটিলতা এবং ঠিকাদারদের প্রকল্প থেকে সরে যাওয়ার কারণেই এডিপি বাস্তবায়নের গতি মন্থর হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে এডিপি বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ৩৪ হাজার ২১৪ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৪৬ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বাড়িয়ে অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করা হবে।

প্রশাসনের চাপেই ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির চুক্তিতে সম্মত হয়েছি: ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক:

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তার আসন্ন প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা ও চাপ ছাড়া ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তি সম্ভব হতো না।

ইসরাইলি মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে রোববার (১৯ জানুয়ারি) থেকে চুক্তিটি কার্যকর হবে। এতে ফিলিস্তিনি বন্দি বিনিময়ের সঙ্গে ইসরাইলি জিম্মি মুক্তির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পরবর্তীতে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তির শর্তাবলি চূড়ান্ত করা হবে।

দ্বিতীয় মেয়াদে অভিষেকের চারদিন আগে ট্রাম্প ড্যান বোঙ্গিনো শো-তে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফসহ আমার দলের চাপ ছাড়া এই আলোচনা কখনোই চূড়ান্ত হতো না।”

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি জানিয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন, “আমরা এই চুক্তির গতিপথ পরিবর্তন করেছি, এবং তা দ্রুত করেছি। সত্যি বলতে, আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগে এটা সম্ভব হয়নি।”

তিনি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, “বাইডেন কিছুই করেননি। আমি এবং আমার দল না থাকলে জিম্মিরা কখনো মুক্তি পেত না।”

ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা শুক্রবার চুক্তির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করবে। রোববার থেকে চুক্তি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে, আর সোমবার ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

বাইডেন গত মে মাসে শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে ট্রাম্পের দাবি, তার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই চুক্তি আলোর মুখ দেখত না।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতি বাবুল কাজী অগ্নিদগ্ধ হয়ে আইসিইউতে

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতি বাবুল কাজী (৫৯) অগ্নিদগ্ধ হয়ে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি হয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোর ৫টায় বাবুল কাজী অগ্নিদগ্ধ হন। সকাল সাড়ে ৭টায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. শাওন বিন রহমান জানান, বাবুল কাজীর শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাসার বাথরুমে গ্যাসলাইটার বিস্ফোরণে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বাবুল কাজীর বোন খিলখিল কাজী ও মিষ্টি কাজীর বরাতে ডা. শাওন বলেন, তিনি সাধারণত সকালে বাথরুমে ধূমপান করতেন। আজ সকালে লাইটার জ্বালানোর সময় সেটি বিস্ফোরিত হয়ে ধোঁয়ায় পুরো বাথরুম ঢেকে যায়, এতে তিনি দগ্ধ হন।

বাবুল কাজী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পুত্র সব্যসাচী কাজীর ছোট ছেলে। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক:

গাজায় আটক জিম্মিদের মুক্তি এবং যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে একটি চুক্তিতে অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) দীর্ঘ মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, চুক্তিটি রবিবার (১৯ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

চুক্তির আওতায় প্রথম ধাপে হামাস গাজায় আটক ৩৩ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে, আর ইসরায়েল ৯৫ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৪ জন মন্ত্রী চুক্তির পক্ষে এবং ৮ জন মন্ত্রী এর বিপক্ষে ভোট দেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৈঠকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর ইসরায়েলের জন্য অস্ত্র সরবরাহ পুনরায় শুরু করার আশ্বাস দিয়েছেন। নেতানিয়াহু বলেন, “যদি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে না পৌঁছানো যায়, তবে যুদ্ধের জন্য আমাদের অতিরিক্ত সরঞ্জাম প্রয়োজন।”

চুক্তির বিরোধিতা করেছেন ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী দুই মন্ত্রী—ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোট্রিচ। তারা দাবি করেছেন, চুক্তির প্রথম ধাপ শেষ হওয়ার পর গাজায় আবারও যুদ্ধ শুরু করতে হবে।

৭ অক্টোবরের হামলা ও পরবর্তী সংঘর্ষে গাজা ও ইসরায়েলে হতাহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় গাজায় ৪৬ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এদিকে, ইসরায়েল বলছে, হামাসের হাতে এখনও ৯৪ জন ইসরায়েলি জিম্মি রয়েছেন।

সূত্র: সিনহুয়া ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম।

হালান্ডের সাথে ১০ বছরের অভূতপূর্ব চুক্তি সিটির

অনলাইন ডেস্ক:

ফুটবলের ইতিহাসে এত দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি আগে কখনো হয়নি, এমন দাবি নিয়ে ম্যানচেস্টার সিটি ঘোষণা করেছে, তারা নরওয়েজিয়ান ফুটবলার আরলিং হালান্ডের সঙ্গে ১০ বছরের একটি অভূতপূর্ব চুক্তি করেছে। বর্তমানে হালান্ডের সাথে সিটির চুক্তি রয়েছে ২০২৭ সাল পর্যন্ত। কিন্তু নতুন চুক্তি অনুযায়ী, তিনি ২০৩৪ সাল পর্যন্ত সিটির হয়ে খেলবেন।

ফুটবল-বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ইএসপিএন’ সূত্রে জানা গেছে, এটি ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং লোভনীয় চুক্তি হতে পারে। তবে ম্যানচেস্টার সিটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন চুক্তির মেয়াদ জানায়নি।

ম্যানচেস্টার সিটির ডিরেক্টর জিকি বেগরিসটেন এই চুক্তির বিষয়ে জানান, “আরলিং নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর মাধ্যমে তার প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি এবং তার ভালোবাসার প্রমাণ পাওয়া গেল। সে এখানে অবিশ্বাস্য প্রভাব ফেলেছে। গোল সংখ্যা এবং রেকর্ড তার নিজের পক্ষে কথা বলে।”

নতুন চুক্তি নিয়ে হালান্ড বলেন, “এটি স্বাক্ষর করতে পেরে আমি অত্যন্ত খুশি। ম্যানচেস্টার সিটি একটি বিশেষ ক্লাব, যার অসাধারণ সমর্থক রয়েছে এবং যা সবার থেকে সেরাটা বের করে আনে।”

২০২২ সালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দেওয়া হালান্ড ১১১ ম্যাচে ১২৬ গোল করেছেন।

সর্বশেষ খবর

এআই ব্যবহার করে প্রতারণার শিকার হলেন বৃদ্ধ নারী

0
অনলাইন ডেস্ক: এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজেকে ২৯ বছর বয়সী চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পাঁচ মাসে ১ লাখ ৭০ হাজার ইউয়ান হাতিয়ে...