Tuesday, May 26, 2026
25 C
Dhaka
Tuesday, May 26, 2026

সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তাদের ওপর গুলি চালানো বন্দুকধারীর ‘হিংসাত্মক অতীত’ ছিল: ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার বলেছেন, হোয়াইট হাউসের বাইরে সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তাদের ওপর গুলি চালানো বন্দুকধারীর ‘হিংসাত্মক অতীত ও হোয়াইট হাউসের প্রতি সম্ভাব্য এক ধরনের মোহ ছিল।’

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘হোয়াইট হাউসের কাছে এক বন্দুকধারীর বিরুদ্ধে আজ সন্ধ্যায় দ্রুত ও পেশাদারী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমাদের সিক্রেট সার্ভিস ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ধন্যবাদ।’

 

ট্রাম্প আরও বলেন, ওই ব্যক্তির হিংসাত্মক অতীত ছিল এবং আমাদের দেশের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্থাপনার প্রতি তার সম্ভাব্য এক ধরনের আসক্তি বা মোহ ছিল।

হোয়াইট হাউসের কাছে বন্দুক হামলা: বন্দুকধারী নিহত, পথচারী গুলিবিদ্ধ

অনলাইন ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউসের কাছে শনিবার সন্ধ্যায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এক ব্যক্তি বন্দুক হামলা চালালে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টদের পাল্টা গুলিতে তিনি নিহত হন।

এ সময় এক পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সিক্রেট সার্ভিসের যোগাযোগ বিষয়ক প্রধান অ্যান্থনি গুগলিয়েলমি এক বিবৃতিতে জানান, ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসেই ছিলেন এবং তিনি ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি চুক্তির বিষয়ে আলোচনার কাজে ব্যস্ত ছিলেন।

 

তবে এই ঘটনায় প্রেসিডেন্টের কোনো ক্ষতি হয়নি।

 

স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার কিছু পরে হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা বেষ্টনীর কাছে এক ব্যক্তি তার ব্যাগ থেকে অস্ত্র বের করে গুলিবর্ষণ শুরু করে।

 

গুগলিয়েলমি আরও বলেন, সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা পাল্টা গুলি চালালে সন্দেহভাজন বন্দুকধারী গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান। গুলিবর্ষণের সময় এক পথচারীও আহত হন।

তবে তার অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনায় কোনো সিক্রেট সার্ভিস সদস্য আহত হননি।

 

ঘটনার পর পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে।

এ সময় ওয়াশিংটন ডাউনটাউনে প্রবেশের চেষ্টা করা এএফপির এক প্রতিবেদককে ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা আটকে দেন।

 

কানাডিয়ান পর্যটক রিড অ্যাড্রিয়ান এএফপিকে জানান, ‘আমরা সম্ভবত ২০ থেকে ২৫টি শব্দ শুনেছিলাম, প্রথমে মনে হয়েছিল এগুলো আতশবাজির শব্দ, কিন্তু আসলে সেগুলো গুলির শব্দ ছিল, তারপর সবাই দৌড়াতে শুরু করি।’

 

ঘটনার সময় হোয়াইট হাউসের নর্থ লনে থাকা সাংবাদিকদের দ্রুত সরে যেতে এবং প্রেস ব্রিফিং রুমে আশ্রয় নিতে নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।

 

এবিসি নিউজের প্রতিবেদক সেলিনা ওয়াং জানান, তিনি যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য একটি ভিডিও ধারণ করছিলেন, ঠিক তখনই গুলির শব্দ শুরু হয়।

তিনি বলেন, গুলি চলার সময় তিনি মাটিতে শুয়ে পড়েন এবং সেই মুহূর্তের শব্দও ভিডিওতে ধারণ হয়।

 

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক্স-এ বলেন, ‘এটি শুনতে মনে হচ্ছিল যেন কয়েক ডজন গুলির শব্দ হচ্ছে।

স্কুল ফিডিংয়ে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল কার্যক্রমে শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্যের মান ও সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

 

তিনি বলেন, ‘শিশুদের পুষ্টি ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার প্রশ্নে সরকার শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি বজায় রাখবে।’

 

আজ রোববার রাজধানীর প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে আয়োজিত নির্দেশনামূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘এটি কোনো সাধারণ সভা নয়। শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি। সরকারি কর্মকর্তা হোন কিংবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান-সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও সততার সাথে কাজ করতে হবে।’

 

তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই বিশাল স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এত বড় একটি জনকল্যাণমুখী প্রকল্পে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে তা সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য বিব্রতকর হবে।

 

সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব। তবে ব্যবসার নামে শিশুদের খাদ্যের মানের সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। যারা সঠিকভাবে শর্ত মেনে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, ভবিষ্যতে তারা এই কার্যক্রমে আর যুক্ত থাকতে পারবেন না।’

 

কর্মসূচিকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে সভায় প্রতিমন্ত্রী বেশ কিছু নতুন ও কঠোর নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।

 

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- খাদ্য কোথা থেকে আসছে, কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে এবং কার মাধ্যমে বিদ্যালয়ে পৌঁছাচ্ছে; তার সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের কাছে থাকতে হবে। খাদ্যের পুষ্টিগুণ ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত টেকনিশিয়ান নিয়োগ করতে হবে; স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে মাঠপর্যায় থেকে খাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে; প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে খাদ্য পৌঁছানো এবং মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে।

 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই- শিশুরা যেন সঠিকভাবে পুষ্টিকর খাবার পায়। এজন্য বাস্তবসম্মত সব ধরনের সহযোগিতা সরকার দেবে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্তদেরও নিজেদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’

 

এটিকে একটি পাইলট কর্মসূচি হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত হচ্ছে, সেগুলো সমাধান করেই আগামীতে সারা দেশে আরও বড় পরিসরে এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

 

সভায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন বাস্তব চ্যালেঞ্জ তুলে ধরলে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা আরও জোরদার করার আশ্বাস দেন।

 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রকল্প পরিচালক, উপপরিচালক, জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারেরা।

বায়তুল মুকাররমে ঈদুল আযহায় ৫টি জামাত: ইমাম ও মুকাব্বিরের তালিকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পবিত্র ঈদুল আযহা ১৪৪৭ হিজরি উদযাপন উপলক্ষে এবারও রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে পর্যায়ক্রমে ৫টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত হবে সকাল ৭টায়।

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক, আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) দেশে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে।

এসব জামাতে ইমামতি ও মুকাব্বিরের দায়িত্ব পালনকারী আলেম ও সংশ্লিষ্টদের তালিকা চূড়ান্ত করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা)। এর আগে ইফার দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পক্ষ থেকে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

 

সকাল ৭টার প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মো. মিযানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারি ইসহাক।

 

দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। ইমাম হিসেবে থাকবেন ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ড বিভাগের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. মাওলানা ওয়ালীয়ূর রহমান খান। মুকাব্বিরের দায়িত্ব পালন করবেন মসজিদের চিফ খাদেম মো. নাসির উল্লাহ।

 

তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৯টায়। এতে ইমামতি করবেন ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহ। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মো. রুহুল আমিন।

 

সকাল ১০টার চতুর্থ জামাতে ইমামতি করবেন ইফার দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন। মুকাব্বিরের দায়িত্ব পালন করবেন মো. আব্দুল হাদী।

 

পঞ্চম বা সর্বশেষ জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক জুবাইর আহাম্মদ আল-আযহারী। মুকাব্বির হিসেবে থাকবেন মো. আমির হোসেন।

 

কোনো জামাতে নির্ধারিত ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. শহিদুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া বিকল্প মুকাব্বির হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো. শামসুল হক।

 

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকল ইমাম, মুকাব্বির এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গকে নির্ধারিত সময়ের আগে জাতীয় মসজিদে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি ও আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

 

আজ সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আমরা এমন একটি উদ্যোগের উদ্বোধন করছি যা শুধু একটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগই নয় বরং এটি বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি প্রতীক।’

 

তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ ভবনে এক মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধনের মাধ্যমে একটা বার্তা আমরা স্পষ্টভাবে দিতে পারবো। সেটি হচ্ছে, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি এবং আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।’

 

প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে ‘নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ’-এর উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বীর বিক্রম।

 

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, লুই আই কানের নকশায় নির্মিত এই জাতীয় সংসদ ভবন অবশ্যই আমাদের গণতন্ত্রের প্রতীক। আজ সেই ভবনের ছাদে সৌর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রমাণ করার চেষ্টা করছি, নেতৃত্ব কেবল নীতিতেই নয় বরং বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হতে হবে।

 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জন করার চেষ্টা করছে। আমাদের অর্থনীতি সম্প্রসারিত হচ্ছে। শিল্পায়ন বাড়ছে। বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম একটি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।’

 

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বর্ষণ, ঘূর্ণিঝড় এবং নদী ভাঙন এসব আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এ কারণেই টেকসই জ্বালানির পথে অগ্রসর হওয়া এখন আর শুধু পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নয় বরং এটি আমাদের অর্থনীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার অপরিহার্য একটি অংশ। সৌরশক্তি সেই সম্ভাবনার সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রতিবর্গ কিলোমিটারে সাড়ে চার থেকে পাঁচ কিলোয়াট ঘণ্টার সৌরশক্তি পাওয়া যায়। আমাদের অসংখ্য ছাদ, শিল্প এলাকা, খোলা জমি এবং উপকূলীয় অঞ্চল নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিশাল সম্ভাবনা ধারণ করে আছে।’

 

তিনি বলেন, ‘গত এক দশকে বিশ্বব্যাপী সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। ফলে সৌরশক্তি এখন কেবল পরিবেশবান্ধব নয়, অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত কার্যকর একটি সমাধান। আজকের এই প্রকল্প সেই বৃহত্তর যাত্রারই অংশ। ’

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি জাতীয় সংসদ ভবনের এই উদ্যোগ দেশের সকল সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুপ্রাণিত করবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও প্রতিটি নাগরিক যদি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির এই অভিযাত্রায় অংশ নেয় তবে বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ খুব দ্রুতই টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।’

 

এ সময়ে মঞ্চে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।

 

এছাড়া অনুষ্ঠানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের হুইপবৃন্দ, সংসদ সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সদস্যবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

উপাত্ত ছাড়া যে কোনো তথ্য কেবলই ব্যক্তিগত অভিমত : তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আধুনিক যুগে ডেটা বা উপাত্ত ছাড়া যে কোনো তথ্য কেবলই ব্যক্তিগত অভিমত বা ধারণা মাত্র।

তিনি বলেন, সঠিক উপাত্ত ছাড়া যে কোনো জনসংযোগ বা প্রচার কৌশল ভিত্তিহীন হয়ে পড়ে। তাই জনসংযোগ কর্মকর্তাদের যে কোনো বার্তা তৈরিতে সুনির্দিষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ উপাত্তের ওপর নির্ভর করার আহবান জানান তিনি।

আজ সকালে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তাদের (পিআরও) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান যুগটি হচ্ছে নিখুঁত ডেটা বা উপাত্তের যুগ। আপনি মাঠ পর্যায়ে কী কাজ করছেন বা সরকারের বার্তা জনগণের কাছে কীভাবে পৌঁছাচ্ছে, তা কেবল মুখের কথায় বা ধারণার ওপর ভিত্তি করে নিরূপণ করা সম্ভব নয়।’

 

তিনি বলেন, ‘তথ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও সত্যতা নিশ্চিত করতে হলে তার পেছনে অবশ্যই অকাট্য উপাত্ত থাকতে হবে। উপাত্তহীন যে কোনো তথ্যকে সমাজ কেবল একজন ব্যক্তির মতামত হিসেবেই দেখবে, যার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা বস্তুনিষ্ঠ মূল্য নেই।’

 

জনসংযোগের আধুনিকায়নে ‘সাইকোগ্রাফি’ এবং ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট বিশ্লেষণের গুরুত্ব তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কন্টেন্ট বিশ্লেষণ করে সুনির্দিষ্ট উপাত্ত বের করা অত্যন্ত সহজ। একটি তথ্যে বা সংবাদে মানুষের প্রতিক্রিয়া কেমন—কয়টি লাইক, ডিসলাইক বা কী ধরনের মন্তব্য আসছে, সেই ডেটা বিশ্লেষণ করে জনমতের নিখুঁত গ্রাফ তৈরি করা যায়।’

 

তিনি বলেন, ‘এই বৈজ্ঞানিক উপাত্তকে কাজে লাগিয়েই জনসংযোগ কর্মকর্তাদের পারসেপশন ম্যানেজমেন্ট বা নেতিবাচক প্রচারণা মোকাবিলা করতে হবে।’

তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, নিজেদের দক্ষ ‘ডিজিটাল ফোর্স’ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন ও সাফল্যকে উপাত্ত বা পরিসংখ্যানের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরতে পারলে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বহুগুণ বেড়ে যায়। উপাত্তভিত্তিক প্রচারণাই পারে বিভ্রান্তি দূর করে জনমনে সঠিক পারসেপশন বা ধারণা তৈরি করতে।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

 

তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম ও মো. ইয়াসীন উপস্থিত ছিলেন।

 

যমুনা সেতু: ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল- যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহন সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সবশেষ এতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩২ হাজার ৬৫৯ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা।

 

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন আজ রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘ঈদ যাত্রায় আজ থেকেই যমুনা সেতুর দুই পাশ দিয়ে ৯টি করে মোট ১৮ বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে আলাদা করে দুইটি করে বুথ দিয়ে মোটারসাইকেল পারাপার হচ্ছে। আমরা সার্বিক্ষণিক টোল আদায় চালু করার চেষ্টা করছি।

 

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার রাত ১২ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর ওপরে ৩২ হাজার ৬৫৯ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৬ হাজার ৭৫৩ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৭ হাজার ১৫০ টাকা। অপরদিকে ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৮৯৬ টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় ১ কোটি ৪৭ লাখ ৬২ হাজার ৭৫০ টাকা।

কয়েক’শ কোটি ডলারের মামলা অ্যাপলের বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক:

বহুজাতিক আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল- এর বিরুদ্ধে মামলা করেছে কানাডাভিত্তিক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ‘রেভ’।মামলায় প্রতিষ্ঠানটি অ্যাপ স্টোরে পুনরায় তাদের অ্যাপ চালুর অনুমতি এবং কয়েক’শ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। রেভ এমন একটি অ্যাপ, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা একসঙ্গে ভিডিও দেখতে ও আলোচনা করতে পারেন। অ্যাপটি আইফোনের আইওএস ছাড়াও অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ ও ম্যাক কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়। তবে বর্তমানে এটি অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে আর নেই। মামলায় রেভের অভিযোগ, ২০২৫ সালে অ্যাপল তাদের অ্যাপ স্টোর থেকে রেভ সরিয়ে দেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ হিসেবে ‘অসৎ বা প্রতারণামূলক কার্যক্রমের’ অভিযোগ আনা হলেও প্রকৃত কারণ ছিল ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা। রেভের ভাষ্য, অ্যাপল ২০২১ সালে ‘শেয়ারপ্লে’ নামে একই ধরনের একটি ফিচার চালু করে। এরপর থেকেই রেভ অ্যাপটি অ্যাপলের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে। কারণ রেভ মূলত বিজ্ঞাপনভিত্তিক আয় করত এবং অ্যাপলের ইন-অ্যাপ পারচেজ কমিশন ব্যবস্থার মাধ্যমে বড় ধরনের রাজস্ব তৈরি করত না। রেভের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইকেল পাজারাটজ এক বিবৃতিতে বলেন, অ্যাপল ভোক্তাদের পছন্দ সীমিত করেছে এবং আইফোন ব্যবহারকারীদের অ-অ্যাপল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারীদের সঙ্গে একসঙ্গে ভিডিও দেখার সুযোগ বাধাগ্রস্ত করেছে। অন্যদিকে অ্যাপল অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে। এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, বারবার নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে রেভ অ্যাপ সরানো হয়েছে। অ্যাপলের দাবি, ওই অ্যাপে পর্নোগ্রাফিক ও পাইরেটেড কনটেন্ট শেয়ার করা হচ্ছিল। পাশাপাশি শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত অবৈধ কনটেন্ট বা সিএসএএম নিয়ে ব্যবহারকারীদের অভিযোগও পাওয়া গেছে। তবে রেভ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, অবৈধ বা শোষণমূলক কনটেন্টের বিষয়ে তাদের ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি রয়েছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছে, কোনো স্বচ্ছ বা ন্যায্য প্রক্রিয়া ছাড়াই অ্যাপল প্রতিযোগী অ্যাপ সরিয়ে দিয়েছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, ব্রাজিল ও রাশিয়াতেও অ্যাপলের বিরুদ্ধে একই ধরনের প্রতিযোগিতাবিরোধী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে রেভ। অ্যাপলের বিরুদ্ধে অ্যাপ স্টোর নিয়ন্ত্রণ ও কমিশন নীতি নিয়ে আগেও একাধিক মামলা হয়েছে। বিশেষ করে জনপ্রিয় গেম ফোর্টনাইট-এর নির্মাতা এপিক গেমস ২০২০ সালে একই ধরনের অভিযোগ তোলে। সেই মামলার জেরে অ্যাপলের ব্যবসায়িক নীতিতে কিছু পরিবর্তনও আনতে হয়। বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপ স্টোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর বিশ্বজুড়ে চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে নিজেদের প্ল্যাটফর্মে প্রতিদ্বন্দ্বী সেবাগুলোর প্রতি আচরণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

জেনে নিন আমের বিভিন্ন উপকারীতা

অনলাইন ডেস্ক:

কাঁচা আম গ্রীষ্মকালীন ফলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল। কাঁচা আমের ভর্তা, কাঁচা আমের আচার, আমপান্না, কাঁচা আমের শরবত, আমসত্ত্ব কিংবা কাসুন্দি দিয়ে কাঁচা আম মাখা খায়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। অনেক গরমে হিমশীতল এক গ্লাস কাঁচা আমের জুস বা শরবত এনে দেবে প্রশান্তি। কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা কিন্তু অনেক।

* গ্যাস্ট্রো ইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টকে বিভিন্ন পাঁচক রস বা খাদ্য হজমকারী এনজাইম নিঃসরণ করতে উদ্দীপ্ত করে কাঁচা আম।

* কাঁচা আম বা কাঁচা আমের রস অ্যাসিডিটি, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য ও মর্নিং সিকনেসসহ হজমের সমস্যা কমায়, মুখে রুচি বাড়ায়।

* এতে বিদ্যমান ইলেকট্রোলাইটগুলো শরীরে ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য করে, বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম। কাঁচা আমের শরবত শরীরকে ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করে ও হিট স্ট্রোকের প্রবণতা থেকে বাঁচায়।

* কাঁচা আমের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ‘ম্যাঙ্গিফেরিন’ রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড, কোলেস্টেরল ও ফ্যাটি এসিডের মাত্রার ভারসাম্য বজায় রেখে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এতে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম হার্টের সুস্থতা বাড়ায়।

* কাঁচা আমে থাকা লুটেইন ও জিয়াজেনথিন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় ও চোখের সুস্থতা বজায় রাখে।

* নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করে, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধ করে শক্ত ও পরিষ্কার দাঁত গঠনেও কাঁচা আমের ভূমিকাও বেশ।

 

* কাঁচা আম রক্তস্বল্পতা দূর করে, রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, হেমোফিলিয়ার মতো রক্তের অসুখ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কাঁচা আম রক্তনালির স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায় এবং নতুন রক্তকণিকা তৈরি করে।

শিশুর মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক:

সন্তানকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিতে চাইলে তার ব্রেনের কার্যক্ষমতা বাড়াতেই হবে। তাহলেই তো সে সাধারণের মাঝে অসাধারণ হয়ে উঠবে। তবে মুশকিল হলো, এখনকার শিশুরা নিয়মিত এমন কিছু খাবার খায়, যা তাদের ব্রেনের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আরও মুশকিল হলো, বাবা-মায়েরা নিজেদের অসচেতনতার জন্য এই দৃশ্য দেখার পরও সন্তানের স্বাস্থ্যের দিকে সেভাবে নজর দেন না। ফলে ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে সন্তানের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা। তাই জল অনেক দূর গড়িয়ে যাওয়ার আগেই সাবধান হতে হবে। সেক্ষেত্রে জেনে নিন এমন কিছু খাবার সম্পর্কে, যেগুলো নিয়মিত খেলে সন্তানের ব্রেনের কার্যক্ষমতা কমে যায়-

কোল্ড ড্রিংকস

গরম পড়তে না পড়তেই সবাই মিলে কোল্ড ড্রিংকস খেয়েই চলেছেন। এমনকি শিশুরাও বড়দের দেখাদেখি এই পানীয়ে চুমুক দিচ্ছে। এই ভুলটা করছে বলেই তাদের শরীরের পাশাপাশি ব্রেনের উপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আসলে কোল্ড ড্রিংকস হলো চিনি বা মিষ্টির ভাণ্ডার। যে কোনো সুগারি পানীয় কিন্তু ব্রেনের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এমনকি নিয়মিত এসব পানীয় খেলে শরীরেরও একাধিক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সন্তানকে নিয়মিত এই পানীয় খেতে দেবেন না।

রিফাইন কার্ব

গবেষণায় দেখা গেছে, যে কোনো রিফাইন কার্ব জাতীয় খাবার খেলে কিন্তু শরীরে সুগার লেভেল অনেকটাই বেড়ে যায়। সেই কারণে বিপদে পড়ে মস্তিষ্ক। তাই সন্তানকে ভুলেও রিফাইন কার্ব জাতীয় খাবার খেতে দেবেন না।

প্রসেসড ফুড

চিপস, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, মিষ্টি, মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের মতো খাবার হলো প্রসেসড খাবারের সেরা উদাহরণ। এসব প্রক্রিয়াজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে লবণ, চিনি এবং ফ্যাট মেশানো থাকে। এই উপাদান কিন্তু শরীরের বড়সড় ক্ষতি করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

সর্বশেষ খবর

শাহরুখের কিং সিনেমায় দেখা যাবে রণবীরকে!

0
অনলাইন ডেস্ক: বলিউডে এখন নতুন গুঞ্জন শাহরুখ খান ও দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘কিং’ এ বিশেষ ভূমিকায় দেখা যেতে পারে রণবীর সিংকে। যদিও...