Tuesday, October 6, 2026
32 C
Dhaka
Tuesday, October 6, 2026

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে নিহত ৩০

অনলাইন ডেস্ক:

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে সেনাবাহিনীর পৃথক তিনটি অভিযানে অন্তত ৩০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে লাক্কি মারওয়াত, কারাক এবং খাইবার জেলায় এই অভিযানগুলো চালানো হয়।

বিবৃতিতে জানানো হয়, লাক্কি মারওয়াতে ১৮ জন সন্ত্রাসী নিহত এবং ৬ জন আহত হয়েছে। কারাক জেলায় অভিযানে আরও ৮ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। তৃতীয় অভিযানে গোষ্ঠীটির নেতাসহ ৪ জন সন্ত্রাসী নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছে।

আইএসপিআর আরও জানায়, অভিযানে বিপুল পরিমাণ সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকায় অন্য সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি নির্মূল করতে এখনো একটি ক্লিয়ারেন্স অপারেশন চলছে।

সেনাবাহিনী জানায়, দেশ থেকে সন্ত্রাসবাদের হুমকি সম্পূর্ণ নির্মূল করতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ ৯০ বছর বয়সে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ইন্তেকাল করেছেন। রবিবার, ২৬ জানুয়ারি সকালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, থাইরয়েডের সমস্যা, ফ্যাটি লিভার এবং ডিমেনশিয়ার মতো রোগে ভুগছিলেন।

তাঁর প্রথম জানাজা হবে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এবং দ্বিতীয় জানাজা ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর রূপগঞ্জে জন্মগ্রহণ করা কে এম সফিউল্লাহ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন এবং ‘এস’ ফোর্সের নেতৃত্ব দেন। তাঁর অসামান্য সাহসিকতার জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন।

স্বাধীনতার পর তিনি ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যে রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ১৯৯৬ সালে নারায়ণগঞ্জ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৭ সালে তিনি সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের চেয়ারম্যান হন।

তাঁর জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমেদের সরকারকে সমর্থন দেওয়া। তবে তিনি এ বিষয়টি ‘বাধ্যবাধকতা’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিলেন।

কে এম সফিউল্লাহর মৃত্যু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অবদান জাতির স্মৃতিতে চিরকাল অম্লান থাকবে।

২০ বছরেও পূর্ণ কার্যক্রমে চালু হয়নি ফেনী ট্রমা সেন্টার

জেলা প্রতিনিধি :

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ফেনীর মহিপালে ২০০৬ সালে নির্মিত ফেনী ট্রমা সেন্টার দীর্ঘ ২০ বছরেও পূর্ণ কার্যক্রমে চালু হয়নি। ২০ শয্যার এই সেন্টারটির মূল উদ্দেশ্য ছিল সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, যন্ত্রপাতি এবং জনবলের অভাবে সেন্টারের কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে রয়েছে।

২০০২ সালে ফেনী ট্রমা সেন্টারের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে ২০০৬ সালের জুলাইয়ে শেষ হয়। একই বছরের অক্টোবরে বহির্বিভাগে সীমিত স্বাস্থ্যসেবা চালু করা হলেও পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম কখনোই শুরু করা যায়নি। সেন্টারে রয়েছে অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ, এবং প্যাথলজি ল্যাবসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি। তবে বিদ্যুৎ সংযোগ ও পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় এগুলো একবারের জন্যও ব্যবহার করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে যন্ত্রপাতিগুলো অযত্নে পড়ে থাকায় নষ্ট হওয়ার পথে।

বর্তমানে ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা কার্যক্রম সীমাবদ্ধ বহির্বিভাগে। এখানে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ জন রোগী সাধারণ রোগের জন্য চিকিৎসা নিতে আসেন। গুরুতর আহত রোগীদের শুধুমাত্র প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে তাদের ফেনী সদর হাসপাতাল বা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা ট্রমা সেন্টারের কার্যক্রমে হতাশা প্রকাশ করেছেন। মহাসড়কে প্রতিদিন বহু দুর্ঘটনা ঘটে, কিন্তু এই সেন্টারে পর্যাপ্ত চিকিৎসক বা সুবিধা না থাকায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হয় না। মহাসড়ক থেকে ফেনী সদর হাসপাতালে রোগী নিতে যানজটের কারণে অতিরিক্ত সময় লাগে, যা অনেক সময় গুরুতর রোগীর জীবনহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ফেনী জেলা সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, জনবল ও অবকাঠামো-সংকটের বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো সেন্টারটি পূর্ণ কার্যক্রমে চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মহাসড়কের দুর্ঘটনায় আহতদের জরুরি সেবা দিতে ট্রমা সেন্টারটি দ্রুত চালু করা অত্যন্ত জরুরি বলে মত দেন সংশ্লিষ্টরা।

নিকলীতে ভূয়া ডাক্তারের অভিযোগ, অবাধে রোগী দেখছেন সহকারী

অনলাইন ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের হাফসরদিয়া গ্রামে ভূয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। প্রয়াত পল্লী চিকিৎসক জীবন কুমার দাস উরুফে গুসাইয়ের সহকারী মো. আনোয়ার হোসেন পল্লী চিকিৎসক না হয়েও অবাধে রোগী দেখছেন এবং রোগীদের নাম ও নামে ঔষধ দিচ্ছেন। এলাকাবাসী এই ধরনের ভূয়া চিকিৎসা প্রদানের অভিযোগ করেছেন, যা তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

প্রয়াত পল্লী চিকিৎসক জীবন কুমার দাস ২৯ বছর আগে চট্টগ্রামে দর্জির কাজ করতেন এবং পরে নিকলীর গুরই আখড়ায় কিছু সময় সন্যাসি হিসেবে কাজ করেন। পরবর্তীতে তিনি ডিএ.এম.এস (মোমেনশাহী, রেজি নং-০১৬৭) এবং ডি.এম.এফ (ঢাকা, রেজি নং-১৫১৭) সার্টিফিকেট নিয়ে প্রায় এক যুগ চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত হন। তবে তার সহকারী মো. আনোয়ার হোসেন নিজেই কোনো মেডিকেল শিক্ষা গ্রহণ করেননি এবং কোন কলেজে পড়াশোনা করেছেন সে বিষয়ে কোনো সঠিক তথ্য দিতে পারেননি।

একদল সংবাদকর্মী আনোয়ার হোসেনকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে, তিনি জানান যে তিনি প্রয়াত জীবন কুমার দাসের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন, তবে তার শিক্ষা এবং ইন্টার্নি বিষয়ক কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করতে পারেননি।

নিকলী উপজেলা পঃপঃ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সজিব ঘোষ জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এলাকাবাসী দাবি করছেন, ভূয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হোক, যাতে জনস্বাস্থ্য রক্ষা করা সম্ভব হয়।

কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদী পুনঃরুদ্ধারের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদী এক সময় ছিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এবং শীতকালে অতিথি পাখিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অভয়ারণ্য। কিন্তু বর্তমানে নদীটি ভয়াবহ দখল, দূষণ এবং কচুরিপানায় আচ্ছাদিত হয়ে পড়েছে, যার ফলে পাখিদের আগমনেও ভাটা পড়েছে। এক সময় যেখানে অতিথি পাখির কিচির-মিচির শব্দে নদীটি মুখরিত থাকত, সেখানে এখন পরিস্থিতি অনেকটাই পরিবর্তিত।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত নরসুন্দা নদী প্রতি বছর শীতকালীন অতিথি পাখিদের আকর্ষণ করত, বিশেষ করে সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, সিনচিয়াং এবং ভারতের মতো শীতপ্রধান দেশগুলো থেকে হাজার হাজার পাখি এখানে আসত। তবে এখন কচুরিপানার কারণে এই পাখিরা নদীতে অবাধে সাঁতার কাটতে পারে না এবং শুধুমাত্র গাছের ওপর বা আকাশে উড়াউড়ি করে সময় কাটায়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপার) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর সাইফুল ইসলাম জুয়েল জানান, “নরসুন্দা নদী এক সময় অতিথি পাখির কলকাকলীতে মুখরিত থাকত, কিন্তু এখন কচুরিপানার ফাঁকে তারা পানি খুঁজে পায় না। নদীটি দূষণ এবং দখলের কারণে বিপন্ন হয়ে পড়েছে।” তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান যাতে তারা নদীটির পুনঃরুদ্ধারের জন্য ব্যবস্থা নেয়।

বাপার টিম সম্প্রতি নরসুন্দা নদীর উৎসমুখ থেকে পতনমুখ পর্যন্ত ৬৭ কিলোমিটার এলাকা পরিদর্শন করেছে এবং তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন যে নদীটির প্রায় প্রতিটি ফুটই দখল হয়েছে। তারা বলেন, “এমন বিপুল পরিমাণ দূষণ এবং দখল খুব বেশি নদীতে দেখা যায়নি। সুইচ গেট, বাঁধ এবং ভূমিরূপের পরিবর্তন করে নদীটিকে চিহ্নিত করাও এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।”

তারা আরও বলেন, যদি নরসুন্দা নদীর দুই তীর পরিচ্ছন্ন করে পাখিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল তৈরি করা যায়, তবে প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে। এই নদীটির পুনঃরুদ্ধারের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের পরিবেশকে আগের মতো সুন্দর এবং বৈচিত্র্যময় করা সম্ভব হবে, যেখানে শীতকালে অতিথি পাখির আগমন আবারও সবার মনমুগ্ধকর হবে।

 

 

নোয়াখালীতে বিকাশ কাস্টমার কেয়ারসহ ৪টি দোকানে চুরি, সেনবাগে ডাকাতি

অনলাইন ডেস্ক:

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার একটি বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা এবং মাইজদী শহরে বিকাশ কাস্টমার কেয়ারসহ ৪টি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) ভোর রাতে সেনবাগ উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের কৈইয়াজলা গ্রামে ছিদ্দিক আহমদ কোম্পানীর বাড়িতে পিস্তল ঠেকিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটে, অন্যদিকে, একই রাতে মাইজদী শহরের এনএস প্লাজায় চুরির ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার রাত থেকে শনিবার ভোরের মধ্যে, মাইজদী শহরের বড় মসজিদ মোড় সংলগ্ন এনএস প্লাজার দুই ও তিন তলা ভবনের তালা ভেঙে বিকাশ কাস্টমার কেয়ার, এম ইউ টেইলাস, বিধাতা কাপড় দোকান এবং এন এম এন্টারপ্রাইজে চুরি হয়। এ সময় চোরেরা নগদ ৮২ হাজার টাকা এবং ৫০ হাজার টাকার কাপড় চুরি করে নিয়ে যায়।

সেনবাগ উপজেলার কৈইয়াজলা গ্রামের ছিদ্দিক আহমদ কোম্পানীর বাড়িতে ভোর রাত ৪টার দিকে ৮-১০ জনের একটি ডাকাতদল প্রথমে বাসার প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা পরিবারের সদস্যদের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে প্রতিটি কক্ষে তল্লাশি চালায়। ডাকাতরা ৩ লাখ টাকা, ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, ৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলসহ ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়। মহিন উদ্দিন, বাড়ির মালিকের শালা, বলেন যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে ডাকাতদলের সদস্যদের সংখ্যা ৮ জন দেখা গেছে।

এ বিষয়ে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম ও সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। তারা জানান, পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তালায় খড় গাদা থেকে সদ্য নবজাতক শিশুর উদ্ধার, এলাকায় চলছে গুজব

অনলাইন ডেস্ক:

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সুজন শাহ গ্রামে এক খড় গাদার মধ্যে সদ্য নবজাতক একটি শিশুকন্যা উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে মাহাবুবুর রহমানের বাড়ির পাশের খড় গাদার ওপর থেকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়। শিশুটি বর্তমানে সুস্থ অবস্থায় মাহাবুবুর রহমানের পরিবারের কাছে রয়েছে এবং তাদের আদরে আছে। তবে শিশুটির প্রকৃত অভিভাবক সম্পর্কে এলাকায় নানা গুজব ছড়াচ্ছে।

ইসলামকাটি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. খোশরুল আলম জানান, শুক্রবার রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা শিশুটিকে মাহাবুবুর রহমানের বাড়ির পাশে খড় গাদার ওপর রেখে চলে যায়। এশার নামাজের পর শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয়রা তাকে দেখতে পায়। পরে ওই পরিবারের লোকজন শিশুটিকে উদ্ধার করে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসে।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ রাসেল জানান, “শিশুটি বর্তমানে শেখ মোস্তফার কাছে রয়েছে এবং তারা তাকে দেখভাল করছেন। যদি কেউ শিশুটিকে দত্তক নিতে চান, তবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিশুটিকে হস্তান্তর করা হবে।”

এদিকে, শিশুটির প্রকৃত অভিভাবক সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া না যাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নানা ধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করছে।

নন্দীগ্রামে কলেজের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’, ককটেল বিস্ফোরণে আতঙ্ক

অনলাইন ডেস্ক:

বগুড়ার নন্দীগ্রামে মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম লিখে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই লেখা দেখে পরদিন শুক্রবার কলেজ চত্বরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ জানাতে রং দিয়ে ওই লেখা মুছে দেয়। একই দিন রাতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যা এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে। তবে বিস্ফোরণে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নন্দীগ্রাম শহরের বাসস্ট্যান্ডের বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এর মধ্যে একটি ককটেল বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হলেও অপরটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিস্ফোরণের পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।

স্থানীয় ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল রানা দাবি করেছেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য কলেজের দেয়ালে লেখা এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, ছাত্রদল কলেজের দেয়ালে লেখা মুছে দেওয়ার পরও এসব ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

নন্দীগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক নাজমুল হক জানান, কলেজের দেয়ালে লেখা নিয়ে এখনও কোনো অভিযোগ আসেনি। পুলিশ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্ত করছে এবং অবিস্ফোরিত ককটেলটি উদ্ধার করেছে। তবে বিস্ফোরণের কারণে কেউ হতাহত হয়নি।

নোয়াখালীর চাটখিলে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের পদত্যাগের গুজবের পর শোডাউন,গ্রেপ্তার ২

অনলাইন ডেস্ক:

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের পদত্যাগের গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর শোডাউন করায় যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ইব্রাহিম খলিল ওরফে রাসেল (৪২) এবং গোলাম কিবরিয়া ওরফে লিটন (৪৫)। রাসেল মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বানসা গ্রামের জমাদার বাড়ির মৃত রুহুল আমিনের ছেলে, এবং লিটন একই ইউনিয়নের ইসমাইল বেপারী বাড়ির মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে।

শুক্রবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বানসা বাজারে ফেসবুকে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের পদত্যাগের গুজব শোনার পর যুবলীগের কিছু নেতাকর্মী শোডাউন করে। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয়দের সহায়তায় রাসেল ও লিটনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ নিশ্চিত করে, রাসেল মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য, এবং লিটন স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। পুলিশ জানায়, ঘটনার পর তারা একটি মামলা দায়ের করেছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের শনিবার দুপুরের দিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “শোডাউনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং স্থানীয়দের সহায়তায় দুজনকে আটক করা হয়।”

বিগ ব্যাশে আসতে পারে অদ্ভুত নিয়ম, এক বলে দুই আউটসহ বড় পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক:

অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে নতুন কিছু অদ্ভুত নিয়ম আনার কথা ভাবা হচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি নতুন নিয়মের মাধ্যমে আরও আকর্ষণীয় করতে চায় আয়োজকরা। ক্রিকেটের ইতিহাসে এমন কিছু নিয়ম রয়েছে, যা এই টুর্নামেন্টে চালু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এক বলে দুই আউট, ১২ বলের ওভার, ব্যাটারকে ফিল্ডিং থেকে মুক্তি এবং আরো নানা পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে।

এবার যে নিয়মগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে ডাবল প্লে রুল। এই নিয়মে রান আউটের ক্ষেত্রে যদি দুই ব্যাটার ক্রিজের বাইরের অবস্থায় থাকেন এবং দুই প্রান্তে স্ট্যাম্প ভেঙে দেওয়া হয়, তাহলে উভয় ব্যাটারকেই আউট করা হবে। বর্তমানে এমন ভুল বোঝাবুঝির কারণে শুধু এক প্রান্তের ব্যাটার সাজঘরে ফিরে যান, কিন্তু এই নতুন নিয়মে দুজনকেই আউট করা হবে।

আরেকটি নতুন নিয়ম হলো ডেজিগনেটেড হিটার। এই নিয়মে একটি দলের একজন খেলোয়াড়কে শুধু ব্যাটিংয়ের জন্য খেলানো হবে এবং তাকে ফিল্ডিং করতে হবে না। তার পরিবর্তে অন্য একজন ফিল্ডারকে মাঠে নামানো যাবে। আপাতত এই নিয়ম নিয়ে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ভবিষ্যতে মালিকদের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা হবে।

এছাড়া, এক বলে দুই আউট এবং একই বলে ক্যাচ ও রান আউট নিয়েও আলোচনা চলছে, তবে এই নিয়ম চালুর সম্ভাবনা কম। আরেকটি সম্ভবনা হচ্ছে এক পাশ থেকে টানা বল করার নিয়ম, যেখানে বোলার এক পক্ষে একাধিক ওভার বোলিং করতে পারবেন।

সবশেষে, আয়োজকরা এসব নিয়মের মাধ্যমে দ্রুত ম্যাচ শেষ করার চেষ্টা করছেন এবং বিগ ব্যাশকে আরও দর্শকপ্রিয় করার জন্য এসব পরিবর্তন আনার কথা ভাবছে। তবে, এসব পরিবর্তন বাস্তবায়ন হলে ক্রিকেটারদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, কারণ তাদেরকে নতুন নিয়মগুলোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

সর্বশেষ খবর

প্রেমিকাকে হত্যা ও পোড়ানোর দায়ে প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

0
জেলা প্রতিনিধি: রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে হাছিনা বেগম সুমি নামের এক নারীকে হত্যা ও দেহ পোড়ানোর মামলার আসামি মোহাম্মদ মাহিবুর কামাল মহিবুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে...