Thursday, September 24, 2026
26 C
Dhaka
Thursday, September 24, 2026

ঢাকা-খুলনা-বেনাপোল রুটে নতুন দুই ট্রেনের সময়সূচি প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকা থেকে খুলনা ও বেনাপোলের নতুন দুই জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে। পদ্মাসেতু সংযোগের মাধ্যমে কাশিয়ানী জংশন হয়ে খুলনা ও বেনাপোল রুটে ট্রেন চলাচল করবে, যা যাত্রীদের দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছানোর সুযোগ দেবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটে ‘জাহানাবাদ এক্সপ্রেস’ এবং ঢাকা-বেনাপোল-ঢাকা রুটে ‘রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস’ নামে দুটি ট্রেন চালু করা হবে। এই ট্রেনগুলো সাপ্তাহিক এক দিন বিরতি রেখে নিয়মিত চলাচল করবে।

নতুন এই ট্রেন চালু হলে, ঢাকা থেকে খুলনা বা বেনাপোল পৌঁছাতে সময় কমে যাবে। বর্তমানে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল-ঈশ্বরদী হয়ে খুলনা যেতে ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট এবং রাজবাড়ী হয়ে বেনাপোল যেতে সময় লাগে ৭ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট। কিন্তু নতুন ট্রেনগুলোর মাধ্যমে ঢাকা থেকে খুলনা যেতে সময় লাগবে মাত্র ৫ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট, এবং বেনাপোল যেতে সময় লাগবে প্রায় ৪ ঘণ্টা।

ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায়, আগামী ২৪ ডিসেম্বর থেকে দুটি ট্রেন ভাঙ্গা থেকে কাশিয়ানী, লোহাগড়া, নড়াইল, সিঙ্গিয়া, নোয়াপাড়া হয়ে চলাচল শুরু করবে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৪ নভেম্বর ঢাকা থেকে খুলনা পর্যন্ত পরীক্ষামূলক ট্রেন চলানো হয়, এবং ওই যাত্রায় সময় লেগেছিল সাড়ে তিন ঘণ্টা। পরে ২ ডিসেম্বর থেকে পদ্মা রেল সংযোগে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার কথা ছিল, তবে জনবল সংকটে তা শুরু হয়নি।

‘জাহানাবাদ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি খুলনা থেকে ভোর ৬টায় ছেড়ে সকাল পৌনে ১০টায় ঢাকা পৌঁছাবে, এবং ঢাকা থেকে রাত ৮টায় যাত্রা শুরু করে রাত ১১টা ৪০ মিনিটে খুলনা পৌঁছাবে। এই ট্রেনটি নোয়াপাড়া, সিঙ্গিয়া, নড়াইল, লোহাগড়া, কাশিয়ানী জংশন ও ভাঙ্গা জংশনে বিরতি দেবে।

‘রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি বেনাপোল থেকে বিকাল সাড়ে ৩টায় ছেড়ে সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে ঢাকা পৌঁছাবে। ঢাকা থেকে সকাল পৌনে ১১টায় যাত্রা শুরু করে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বেনাপোল পৌঁছাবে। যাত্রাপথে এর বিরতি থাকবে যশোর জংশন, নড়াইল, কাশিয়ানী জংশন ও ভাঙ্গা জংশনে।

দুটি ট্রেনের প্রতিটিতে আসন সংখ্যা ৭৬৮, এবং সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে সোমবার। আগামী ২১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে সংশ্লিষ্ট স্টেশনের কাউন্টার এবং অনলাইন ও মোবাইল অ্যাপে পাওয়া যাবে জাহানাবাদ ও রূপসী বাংলার টিকিট।

ইজতেমা ময়দানে সংঘর্ষের পর নিয়ন্ত্রণ নিল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুরের টঙ্গী শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো ময়দান ও আশপাশের এলাকা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ময়দান এবং তার আশপাশের এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছেন। তারা যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা নাশকতা প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, কামারপাড়া রোড এবং আশপাশের অন্যান্য সড়কে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এসব সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের মধ্যে কাউকে সন্দেহজনক মনে হলে তাদের তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এদিকে, টঙ্গীর তুরাগ তীরে পাঁচ দিনের জোড় ইজতেমা উপলক্ষে তাবলিগ জামাতের সদস্যরা এসে উপস্থিত হয়েছেন। বিশেষ করে, নিজামউদ্দিন মারকাজের মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীদের কয়েকজন রাতে তুরাগ নদীর পশ্চিম পাড়ের একটি টিনশেড মসজিদে অবস্থান করেছিলেন। তারা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাদের গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার এন এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সরকারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইজতেমা ময়দান এবং এর আশপাশের তিন কিলোমিটারের মধ্যে জমায়েত নিষিদ্ধ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন। এরপর ময়দান খালি হতে থাকে, এবং এখন থেকে ময়দানটি সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

পেকুয়ায় ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত, আহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়কের ধনিয়াকাটা এলাকায় ট্রাকের চাপায় অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হন।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কুমিল্লা রাজশান এলাকার সারমিন আক্তার (২৯) এবং হাটাহাজারী এলাকার ফিরোজ আহমদ (৪৫), যারা স্বামী-স্ত্রী ছিলেন। এছাড়াও নিহত হয়েছেন টইটং ইউনিয়নের ধনিয়াকাটা আবদুল্লাহপাড়া নতুনপাড়ার মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে সিএনজি অটোরিকশাচালক মনিরুল মান্নান (২২)। অপর নিহত যাত্রীর পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।

পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল মোস্তফা জানান, “লাশ উদ্ধার এবং গাড়িগুলো জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দুর্ঘটনার সময় ট্রাকটি অটোরিকশার ওপর উঠে গেলে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।

মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে : মন্ত্রী

মালয়েশিয়া রোহিঙ্গা মানবিক সংকট নিরসন এবং আসিয়ানের সেক্টোরাল ডায়ালগ পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশকে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আজ মিশরের রাজধানী কায়রোতে সেন্ট রেজিস হোটেলে এক সাক্ষাৎকালে মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ড. জাম্বরি আবদুল কাদির বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সাথে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছি।’

বৈঠকে তারা মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের নিয়োগ, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সম্পর্ক সম্প্রসারণ, রোহিঙ্গা সংকট নিরসন এবং আসিয়ানে বাংলাদেশের যোগদানের সম্ভাবনাসহ দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনি রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রস্তাব করেছেন এবং তিনি আশা করেন মালয়েশিয়া এই পদক্ষেপে সমর্থন দেবে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দীর্ঘ কয়েক শতাব্দীর বাসভূমি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক সহিংসতার পর সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নতুন করে ৮০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

ড. অধ্যাপক ইউনূস বলেন, তিনি এ সহিংসত-জর্জরিত অঞ্চলকে সহায়তার প্রয়াসে রাখাইন রাজ্যের বাস্তুচ্যুত লোকদের জন্য জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়েও তাঁর সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, তার সরকার ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছে।

—-বাসস

রেমিট্যান্স ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে : আসিফ নজরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশে প্রবাসী রেমিট্যান্স ২৬ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বুধবার, রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।

ড. আসিফ নজরুল বলেন, প্রবাসীরা ইসলামী ব্যাংকগুলোতে টাকা পাঠাতে বেশি পছন্দ করেন, আর সরকার এই ব্যাংকগুলোকে দুর্বল করতে এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করতে ব্যবহৃত করেছে। তিনি আরও বলেন, ইসলামিক ব্যাংকগুলো ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যাংক, তবে এই ব্যাংকগুলোকে দুর্বল করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে, এসব ব্যাংককে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, পাসপোর্ট নিয়ে প্রবাসীদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান, পাসপোর্টের বিষয়টি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন নয়, তবে তিনি বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “আমি যতটুকু চেষ্টা করতে পারি, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি।”

প্রবাসীদের সুবিধার্থে, বিমানবন্দরে প্রায় ২০০ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং একটি লাউঞ্জ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, রেমিট্যান্স আনার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকেও নতুন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

উপদেষ্টা আরও জানান, সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে বিক্ষোভ করায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে কয়েকজন বাংলাদেশি সাজাপ্রাপ্ত হন, তবে কূটনৈতিক তৎপরতায় তাদের ক্ষমা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “প্রবাসীরা বিদেশে আন্দোলনে অংশ নিয়ে নিজেদের আত্মত্যাগের প্রমাণ দিয়েছেন, তাদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে।”

এ সময়, অভিবাসন ব্যয় কমানোর বিষয়ে ড. আসিফ নজরুল বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি, যাতে রিক্রুটিং এজেন্টরা প্রবাসী শ্রমিকদের ঠকাতে না পারে। সাব-এজেন্টদের দায়দায়িত্ব নিরূপণের চেষ্টা করা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, দক্ষ শ্রমিক বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কিছুটা সীমাবদ্ধ, বিশেষ করে ইউরোপে দক্ষ কর্মীর চাহিদা থাকলেও সংখ্যা কম।

প্রবাসীদের দেশে আনার পর তাদের পুনর্বাসন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রবাসীরা অনেক কষ্টে টাকা জমিয়ে দেশে ফিরলেও, বিভিন্ন দালালদের খপ্পরে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এসব সমস্যা দূর করতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

তিনি আরও বলেন, “পাসপোর্ট সমস্যা, বিমানবন্দরে হয়রানি আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, তবে আমরা অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারি এবং প্রবাসীদের স্বার্থে সহায়তা প্রদান করতে পারি।”

এভাবেই, প্রবাসীদের জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তবে আরও কার্যকর পদক্ষেপের জন্য যৌথ সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

দশ দিনেও ফেরেনি আটক ৭৮ বাংলাদেশি জেলে-নাবিক, উদ্বিগ্ন পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গত ৯ ডিসেম্বর ভারতের কোস্টগার্ড কর্তৃক আটক দুইটি মাছ ধরার জাহাজের ৭৮ জন বাংলাদেশি জেলে ও নাবিকের দেশে ফিরিয়ে আনা নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে আটক হওয়া এই ৭৮ জনের মধ্যে ৪১ জন ছিলেন ‘এফ ভি লায়লা-২’ জাহাজের এবং ৩৭ জন ‘এফ ভি মেঘনা-৫’ জাহাজের সদস্য। আটক জাহাজ দুটি বর্তমানে ভারতের ওড়িশা রাজ্যের প্যারাদ্বীপ বন্দরে নোঙর করা রয়েছে।

জাহাজ মালিকরা জানান, ভারতীয় কোস্টগার্ডের হাতে আটক এসব জেলে-নাবিকরা সুস্থ আছেন এবং তাদের সঙ্গে প্রতিদিন যোগাযোগ হচ্ছে। তবে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপর নির্ভরশীল এবং সরকারের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়িত হবে। জাহাজ মালিকদের মতে, ফিরিয়ে আনার জন্য আরও ১৫-২০ দিন সময় লাগতে পারে, যার মানে ডিসেম্বরের শেষের দিকে তাদের ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, আটক জেলে-নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তারা প্রতিদিনই জাহাজ মালিকদের অফিসে গিয়ে খবর জানার চেষ্টা করছেন। মো. আমির হোসেন, যিনি ‘এফ ভি মেঘনা-৫’-এর এক নাবিক মো. রিয়াজের বাবা, তিনি জানান, তার ছেলে ২৪ নভেম্বর সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল এবং এরপর থেকে তার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

জাহাজ মালিকরা আরও জানিয়েছেন যে, ভারতের কোস্টগার্ডের হাতে আটক হওয়া ‘লায়লা-২’ জাহাজের সবজি শেষ হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু ভারতের কোস্টগার্ড তাদের জন্য নতুন সবজি সরবরাহ করেছে। বাকী খাবার মজুত রয়েছে, যা আরও কিছুদিন চলবে।

‘এফ ভি লায়লা-২’ এর অপারেশন কোম্পানি এস আর ফিশিংয়ের সিএফও মিন্টু সাহা বলেন, তাদের জাহাজটি ২৭ নভেম্বর সাগরে মাছ ধরার জন্য বের হয়েছিল এবং ২০ ডিসেম্বর ফেরার কথা ছিল, কিন্তু ৯ ডিসেম্বর ভারতীয় কোস্টগার্ড জাহাজটি আটক করে। একইভাবে, ‘এফ ভি মেঘনা-৫’ এর মালিক সিঅ্যান্ডএ অ্যাগ্রো লিমিটেডের এমডি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদও জানান, তারা ইতোমধ্যে সকল সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ধরনা দিয়ে যাচ্ছেন, তবে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়।

ভারতীয় কোস্টগার্ড তাদের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে জানায়, আটক দুই জাহাজের ছবি প্রকাশ করে দাবি করেছে, এসব জাহাজ ভারতের জলসীমায় অননুমোদিতভাবে মাছ ধরছিল। এই বিষয়ে চট্টগ্রাম সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তরের পরিচালক মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, তারা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জেলে-নাবিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন, তবে কবে এটি সম্ভব হবে তা সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

এভাবে, ৭৮ বাংলাদেশি জেলে-নাবিকের ভাগ্য এখন ভারতের সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে, এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা প্রতিদিনই তাদের ফিরে আসার দিন গোনছেন।

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, তাপমাত্রা কমবে

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এর প্রভাবে দেশের সব বিভাগে আগামী ৭২ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ২০ ডিসেম্বর সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু জায়গায় মাঝারি (১১-২২ মিমি/২৪ ঘণ্টা) থেকে ভারী (৪৪-৮৮ মিমি/২৪ ঘণ্টা) বৃষ্টিপাত হতে পারে।

অপরদিকে, আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানান, ১৯ ডিসেম্বর দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে বৃষ্টি শুরু হতে পারে এবং ২২ ডিসেম্বর দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে, আর রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হতে পারে।

খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে ১০০ থেকে ১৭৫ মিলিমিটার, বরিশাল, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে ৭৫ থেকে ১৫০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমবে এবং আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ বলেন, “দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের মধ্যাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপটি অবস্থান করছে এবং এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।”

প্রথম তিন দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যেতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

ফ্রেযি ২০ থেকে ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে, বিশেষ করে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গতকাল বুধবার তেঁতুলিয়ায় ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে, এবং ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং এ সময়ের প্রথমার্ধে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে।

আইএমএফের শর্তে বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ে চাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বর্তমান অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। চলমান ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় আইএমএফ বাংলাদেশকে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করতে আরও কঠোর শর্ত দিয়েছে। এ বছরের জন্য এনবিআরের (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জিডিপির দশমিক ৬ শতাংশ। যদিও গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ছিল জিডিপির দশমিক ৫ শতাংশ, কিন্তু সেই লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে এনবিআর। চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসেও রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা গেছে, যা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনবিআর জিডিপির দশমিক ৫ শতাংশ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য রাখার অনুরোধ করলেও আইএমএফ তা মেনে নেয়নি। বরং রাজস্ব আদায়ের শর্ত বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি। আইএমএফের শর্তের মধ্যে রয়েছে, আগামী ২০২৭ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে বিদ্যমান সব ধরনের করছাড় বাতিল করা এবং আয়কর আইনের ৭৬(১) ধারা বাতিলের মাধ্যমে করছাড় দেওয়ার স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা প্রত্যাহার করা। এর জন্য এনবিআর একটি কমিটি গঠন করেছে, যা বিভিন্ন খাতে দেওয়া করছাড়ের পরিমাণ বিশ্লেষণ করবে।

এছাড়া আইএমএফ একক হারে ভ্যাট আদায়ের পক্ষে হলেও, এনবিআর বর্তমানে ভ্যাট আদায়ের জন্য বিভিন্ন হারের ব্যবস্থা রেখেছে। এই বিষয়েও আইএমএফ সরকারের কাছে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। আইএমএফের শর্তে, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি কমানোর জন্য সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে এই দুই খাতে ভর্তুকির পরিমাণ প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা, যা সরকারের জন্য আরেকটি গুরুতর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ।

এনবিআর অবশ্য মনে করে যে, আইএমএফের দেওয়া রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব নয়। এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এই বিষয়ে জানান, তাদের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য হলেও তাদের আশা, তারা এটি পূরণ করতে সক্ষম হবে।

এদিকে, সরকার মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যদিও আইএমএফ এসব খাতে ভর্তুকি কমানোর জন্য চাপ দিচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো যাবে না, কারণ এতে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাবে। তবে, আইএমএফ ঋণের চতুর্থ কিস্তি ছাড়ের জন্য এসব শর্ত বাস্তবায়ন করতে সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে।

২০২২ সালে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় আইএমএফের কাছে ঋণ চায়। আইএমএফ ঋণের প্রথম কিস্তি ছাড় দেয়ার পর, বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত তিনটি কিস্তি পেয়ে এসেছে, আর চতুর্থ কিস্তি ছাড়ের জন্য শর্ত পূরণের বিষয়ে আইএমএফ তাগিদ দিয়েছে।

ফিফার বর্ষসেরা পুরুষ ফুটবলার নির্বাচিত হলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র 

অনলাইন ডেস্ক:

কাতারের দোহায় গত মঙ্গলবার রাতে অনুষ্ঠিত ‘দ্য বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের বর্ষসেরা পুরুষ ফুটবলার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এ বছর ভিনিসিয়ুস ৪৮ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে উঠে আসেন, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি, যিনি পেয়েছেন ৪৩ পয়েন্ট। তৃতীয় স্থান অধিকারী ইংলিশ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম পেয়েছেন ৩৭ পয়েন্ট।

ভিনিসিয়ুসের এই অর্জন তার অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফলস্বরূপ। ২০২৩-২৪ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদে খেলা ৩৯টি ম্যাচে ২৪টি গোল এবং ১১টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। ক্লাব পর্যায়ে ভিনিসিয়ুসের এই নৈপুণ্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ তিনি রিয়াল মাদ্রিদকে জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন লা লিগা, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ শিরোপায়। এছাড়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন তিনি।

এটি একটি ঐতিহাসিক অর্জন, কারণ এই প্রথম ব্রাজিলের কোনো ফুটবলার ফিফার বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড় নির্বাচিত হলেন। এ আগে এই পুরস্কারটি তিনবার জিতেছেন লিওনেল মেসি, দুইবার করে রোনালদো এবং রবার্ত লেভানদোভস্কি।

‘দ্য বেস্ট ফিফা ফুটবল অ্যাওয়ার্ডস’ পুরস্কারের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও কিছু সেরা খেলোয়াড় এবং কোচের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের অন্যান্য বিজয়ীরা হলেন:

বর্ষসেরা নারী ফুটবলার: আইতানা বোনানাতি (বার্সেলোনা, স্পেন)
বর্ষসেরা কোচ (পুরুষ): কার্লো আনচেলত্তি (রিয়াল মাদ্রিদ)
বর্ষসেরা গোলকিপার: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা, আর্জেন্টিনা)
বর্ষসেরা নারী কোচ: এমা হায়েস (চেলসি/যুক্তরাষ্ট্র)
বর্ষসেরা নারী গোলরক্ষক: অ্যালিসা নায়েহের (সিকাগো রেড স্টার্স, যুক্তরাষ্ট্র)
পুরুষদের সেরা গোল (পুসকাস পুরস্কার): আলেহান্দ্রো গারণাচো (এভারটন বনাম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড)
নারীদের সেরা গোল (মার্তা পুরস্কার): মার্তা (ব্রাজিল বনাম জ্যামাইকা)
ফিফা ফেয়ার প্লে পুরস্কার: থিয়াগো মাইয়া (ইন্তারণাসিওনাল)
ফিফা ফ্যান অ্যাওয়ার্ড: গুলের্মে গান্দ্রা মউরা

এই পুরস্কারের ফলাফল ফিফার সদস্য দেশগুলোর অধিনায়ক, কোচ, নির্বাচিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং দর্শকদের ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, যেখানে প্রতিটি গ্রুপের ভোট ২৫ শতাংশ হিসেবে গণনা করা হয়।

আঙুলে চোট, তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে সৌম্য সরকার

অনলাইন ডেস্ক:

আঙুলে চোট পাওয়ায় তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে সৌম্য সরকারকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে খেলতে পারবেন না এই বাঁহাতি ওপেনার। চোটটি ঘটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের সপ্তম ওভারে, তানজিম হাসান সাকিবের তৃতীয় বলটি লেন্থ থেকে কিছুটা লাফিয়ে উঠলে লেট কাট করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন রভম্যান পাওয়েল। সেই ক্যাচটি নিতে গিয়ে সৌম্য ফসকান এবং তার ডানহাতের আঙুলে তীব্র আঘাত লাগে। ক্যাচ মিসের পাশাপাশি আঙুলে ব্যথায় লুটিয়ে পড়েন তিনি।

এই চোটের পর সৌম্যকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার নাফীস ইকবাল জানিয়ে দিয়েছেন, সৌম্যের আঙুলে পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে। বিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ফিজিও বায়েজুল ইসলাম জানিয়েছেন, সৌম্য ডান হাতের তর্জনী আঙুলে চোট পেয়েছেন এবং এক্সরে পর তার আঙুলের একটি জয়েন্টে নড়াচড়া হয়েছে। এই চোট থেকে সেরে উঠতে তার তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগবে।

এই চোটের কারণে সৌম্য সরকার তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ছাড়াও আসন্ন বিপিএলের শুরুতে কিছু ম্যাচ মিস করবেন। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তিনি ৩২ বলে ৪৩ রান করেছিলেন, তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ১৮ বলে ১১ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন।

তবে সৌম্যের ইনজুরির দিনে, বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ নিশ্চিত করেছে। ১২৯ রানে স্বাগতিক দলকে ১০২ রানে আটকে ২৭ রানের জয় তুলে নেয় লিটন দাসরা।

সর্বশেষ খবর

গেম নির্মাতাদের জন্য নতুন সুবিধা চালু করছে রোবলক্স

0
অনলাইন ডেস্ক: গেম নির্মাতাদের জন্য নতুন কয়েকটি সুবিধা চালু করছে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম রোবলক্স। এর ফলে নির্মাতারা রোবলক্সের মূল অ্যাপ্লিকেশনের বাইরে মুঠোফোন, কম্পিউটার ও বিভিন্ন...