অনলাইন ডেস্ক:
মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় রবিবার সন্ধ্যায় বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ফুটবল মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় মোটরসাইকেলে আসা তিন বন্দুকধারী অভিনেতার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান টাইগার শ্রফ। তবে এ ঘটনায় অভিনেতার গাড়িচালক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। হামলার পরপরই লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য পরিচয়ে অনিল পণ্ডিত নামে এক ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায় স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও বার্তায় অনিল পণ্ডিত দাবি করেন, টাইগার শ্রফ তাদের নির্দেশনা অমান্য করে সালমান খানের সঙ্গে কাজ করায় তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ভিডিওতে তিনি হারমান সান্ধুর নাম উল্লেখ করে হুমকি দেন যে, চলচ্চিত্র জগতের কেউ যদি তাদের সঙ্গে সমঝোতা না করে সালমান খানের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যান, তবে তাদের পরিণতিও একই হবে। এছাড়া সালমান খান ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়েও চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ওই ভিডিওতে।
কারাবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নির্দেশে এর আগেও সালমান খানকে একাধিকবার হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের জেরে সালমান খান তাদের হিটলিস্টে রয়েছেন বলে এনআইএ-এর তথ্য রয়েছে। এর আগে ১২ অক্টোবর মুম্বাইয়ে সালমান খানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিকিকে হত্যার দায়ও স্বীকার করেছিল এই গ্যাং।
বলিউডে টাইগার শ্রফ ও সালমান খানের সরাসরি কোনো চলচ্চিত্রে একসঙ্গে অভিনয় না থাকলেও তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুসম্পর্ক রয়েছে। টাইগারের ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে সালমান খানের ভূমিকা ছিল বলে জানা যায়। এছাড়া টাইগারের বাবা জ্যাকি শ্রফের সঙ্গেও সালমানের দীর্ঘদিনের সখ্যতা রয়েছে। বর্তমানে পুলিশ এই হামলার ঘটনায় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।











