কলকাতায় পদপিষ্টের ঘটনায় পুলিশ ও উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে উঠছে অবহেলার অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

রবিবার (১৮ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায় কলকাতার উত্তর অংশের অন্যতম বড় সর্বজনীন দুর্গাপূজা মণ্ডপ চোরবাগানে সপ্তমীর রাতে সংঘটিত মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনায় ১৯ জনের প্রাণহানির পর থেকেই পুলিশ প্রশাসন ও পূজা উদ্যোক্তাদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সাধারণত দুর্গাপূজার বিশাল জনস্রোত সুচারুভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অতীতে কলকাতা পুলিশ প্রশংসিত হলেও এবারের এই নজিরবিহীন দুর্ঘটনা তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটিকে বড় করে তুলেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিও থেকে জানা যায় যে ,১৭ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ বৃষ্টি নামলে প্যান্ডেল ভেঙে পড়ার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে ।এর পরপরই মণ্ডপে উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে তীব্র হুড়োহুড়ি শুরু হয় এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কোনো কার্যকর ব্যবস্থাপনা না থাকায় পরিস্থিতি মুহূর্তেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

সামাজিক মাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে আরও উঠে এসেছে যে, পূজা মণ্ডপে প্রবেশের এবং বের হওয়ার পথ অত্যন্ত সরু ছিল এবং জনসমাগম সামলানোর মতো পর্যাপ্ত প্রস্তুতি উদ্যোক্তাদের ছিল না ।রাজনৈতিক বিশ্লেষক পৌলমী নাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করে উল্লেখ করেছেন যে, দীর্ঘ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ইতিহাসেও দুর্গাপূজায় এমন প্রাণঘাতী পদপিষ্টের ঘটনা এর আগে কখনো ঘটেনি।

যদিও উৎসবের শুরুতেই কলকাতা পুলিশ প্রশাসন দাবি করেছিল যে, পুরো শহরজুড়ে প্রায় ১২ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হবে, তবুও চোরবাগান মণ্ডপে দুর্ঘটনার সময় কোনো পর্যাপ্ত পুলিশি উপস্থিতি ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।