গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার স্থানীয় বাজারগুলোতে ক্ষতিকর কার্বাইড মিশিয়ে কাঁচা কলা পাকানোর মহোৎসব চলছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার লোভে এই অবৈধ রাসায়নিক ব্যবহার করছেন ।ফলে সাধারণ ক্রেতারা প্রতিনিয়ত ভেজাল ও ঝুঁকিপূর্ণ ফল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর এই রাসায়নিকযুক্ত কলা খেয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকরা বলছেন নিয়মিত কার্বাইডযুক্ত ফল গ্রহণের ফলে যকৃৎ ও কিডনি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এছাড়া পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন জটিল রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে গেছে। স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ।ভ্রাম্যমাণ আদালতের নিয়মিত অভিযান না থাকায় দিন দিন এই সিন্ডিকেট আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে ।সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাজার মনিটরিং জোরদার করার কোনো বিকল্প নেই।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন কলা প্রাকৃতিকভাবে পাকানোর জন্য সময় ও নির্দিষ্ট পদ্ধতির প্রয়োজন হয় অথচ ব্যবসায়ীরা কাঁচা কলা সংগ্রহ করে দ্রুত বিক্রির উদ্দেশ্যে রাসায়নিকের সাহায্য নিচ্ছেন। এতে কলার পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায় এবং বিষাক্ত উপাদানে রূপ নেয় ।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতীতে কিছু অভিযান পরিচালনা করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল কার্বাইডের প্রভাবে কলা দেখতে চকচকে ও হলুদ হলেও এর ভেতরের অংশ থাকে। কাঁচা ও বিষাক্ত এমন পরিস্থিতিতে ভোক্তারা চরম সচেতনতা অবলম্বন না করলে বড় ধরনের স্বাস্থ্য বিপর্যয় ঘটতে পারে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি ।অসাধু ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হলে এই অবৈধ প্রবণতা রোধ করা সম্ভব হবে।











